*সাহিত্য যাপন* সাহিত্যের সেরা ঠিকানা আপনার অনলাইন বাংলা মাসিক পত্রিকা
কবিতা, গল্প, রম্যরচনা, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও বিবিধ
*সাহিত্য যাপন* সাহিত্যের সেরা ঠিকানা আপনার অনলাইন বাংলা মাসিক পত্রিকা
কবিতা, গল্প, রম্যরচনা, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও বিবিধ
কবিতা, গল্প, রম্যরচনা, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও বিবিধ
কবিতা, গল্প, রম্যরচনা, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও বিবিধ
দ্বিতীয় বর্ষ - দ্বিতীয় সংখ্যা

সময়ের সাথে সাথে আমরা যতই এগিয়ে চলেছি, ততই দেখছি দৈনন্দিন জীবনের কর্মব্যস্ততার মাঝে বই পড়ে আনন্দ লাভের সুযোগ ক্রমশই কমে আসছে। এমন একদিন ছিল যখন মানুষের কাছে বিনোদন এবং সময় যাপনের দুটি রাস্তা ছিল, একটি হলো গ্রন্থপাঠ, আরেকটি হল চলচ্চিত্র। কিন্তু এখন বইকে আরো অনেক কিছুর সাথে পাল্লা দিতে হয়। বিনোদনের হাজার এক পন্থা আবিষ্কৃত হচ্ছে প্রতিদিন। এই প্রতিযোগিতায় তাহলে কি গ্রন্থ ক্রমশ কোণ ঠাসা হয়ে পড়ছে ?
কিন্তু সাহিত্যপাঠ ছাড়া তো ব্যক্তি জীবন সমৃদ্ধ হতে পারে না ! মানুষের মনন এবং চিন্তন বিকাশের একমাত্র রাস্তা হল গ্রন্থপাঠ। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সব কিছুকেই পরিবর্তিত হতে হবে। তাই সাহিত্য যদি ছাপানো বইয়ের পাতার সাথে সাথে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও চলে আসে, তাহলে মানুষের কাছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হবে। নিদেন পক্ষে যে মানুষটির বই হাতে নেওয়ার সময় বা সুযোগ ছিল না সে অন্ততপক্ষে তার মোবাইল ফোনে বা ল্যাপটপে হলেও কিছুটা সাহিত্য পাঠ করবে।
এই প্রকল্পকে সার্থক করতেই আক্ষরিক মাসিক ওয়েব ম্যাগাজিন ২০২৫ সালের জুনে যাত্রা শুরু করেছে, বাংলা সাহিত্যপাঠে এক অভিনব দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের জন্য এক নিষ্ঠাবান, মেধাবী ও মননশীল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সমকালীন সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে গভীর ভাবনায় ও নান্দনিক উপস্থাপনায়।
নবীন ও প্রবীণ লেখকদের সাহিত্যচর্চার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি পাঠকদের জন্যও এটি একটি সমৃদ্ধ পাঠভুবন নির্মাণ করেছে। ভাষার মুন্সিয়ানা, বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য এবং সম্পাদনা আক্ষরিক-কে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল করে তুলেছে। বাংলা সাহিত্যের প্রাণসঞ্চারে এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ আশা করা যায়, বাঙালি পাঠককে আবার সাহিত্যের কাছে নিয়ে আসবে, তাঁর সাহিত্যভ্রমণকে দীর্ঘস্থায়ী ও গভীরতর করবে এবং বাংলা সাহিত্যের নবতর সম্ভাবনাগুলিকে উজ্জ্বল করে তুলবে।
কল্লোল বন্দ্যোপাধ্যায়, জয় ভট্টাচার্য,
সুমিতা চৌধুরী, ,অমিতাভ সেন,
পুলক রায়, কাজল মুখার্জি, প্রনব কুমার ভট্টাচার্য, মৈত্রেয়ী, ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ,
অসীমা দে, সংবেদন চক্রবর্তী, সুপ্রভাত মেট্যা, তরুণ চট্টোপাধ্যায়, শিবানী চট্টোপাধ্যায়, তাপস কুমার দে, তপন কুমার নাথ, তাপসী লাহা, শিপ্রা চট্টোপাধ্যায়, সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়, অর্কজিৎ সেন, অরূপ দত্ত, সুব্রত চক্রবর্তী, যশোদানন্দ গোস্বামী, পাপিয়া নন্দী, তপন মুখার্জি, সোমশুভ্র গঙ্গোপাধ্যায়, নিত্যানন্দ দাশ, ডঃ সোমালি চৌধুরী, অরুন কুমার মহাপাত্র, স্নেহাশিস সৈয়দ প্রমুখ
শিখর চক্রবর্তী, তনুশ্রী সামন্ত,
মলয় সরকার, কাজল মুখার্জি, গৌতম চক্রবর্তী
অমিতাভ ভট্টাচার্য, অনিন্দিতা সান্যাল, আদিত্য চৌধূরী
ঈশিতা ভাদুড়ী, শৌণক ঠাকুর, ডাঃ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মনোজিত বসু, শিবানী চট্টোপাধ্যায়, চৈতালী ভট্টাচার্য্য ,
ডাঃ অনির্বাণ কুণ্ডু
বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
***

প্রিয় পাঠক, লেখক ও সহযাত্রী,
কলকাতা ৪৯তম আন্তর্জাতিক বইমেলা আবারও প্রমাণ করছে, এই শহরের শিরায় শিরায় এখনও শব্দরা বয়ে চলে। প্রযুক্তির দ্রুতগামী স্রোত, রিলস–ভিডিওর চটুল আকর্ষণ, আর ক্রমাগত ‘স্ক্রিন-নির্ভর’ জীবনের মধ্যেও বইমেলার প্রাঙ্গণে যে বিপুল জনসমাগম, তা কেবল একটি মেলা নয়, এ এক সাংস্কৃতিক প্রত্যয়।
বইমেলা নিয়ে প্রায় প্রতি বছরই একই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে, “মানুষ কি আর বই পড়ে?” কিন্তু বইমেলার প্রতিটি নতুন সংস্করণ যেন সেই প্রশ্নেরই প্রত্যুত্তর। শিশুদের হাত ধরে অভিভাবকেরা আসছেন, কলেজপড়ুয়া তরুণ–তরুণীরা ব্যাগ ভরে বই কিনছেন, প্রবীণ পাঠকেরা ধীরে পা ফেলে খুঁজছেন তাঁদের প্রিয় লেখকের নতুন বা পুরনো সংস্করণ। এই দৃশ্য আমাদের আশ্বস্ত করে—পাঠের সংস্কৃতি মরে যায়নি, বরং রূপ বদলে টিকে আছে।
৪৯তম বইমেলার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো তার বৈচিত্র্য। বড় প্রকাশকের পাশাপাশি ছোট ও স্বাধীন প্রকাশনাগুলির উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। মূলধারার বেস্টসেলার থেকে শুরু করে প্রান্তিক ইতিহাস, অনুবাদ সাহিত্য, লিটল ম্যাগাজিন সব মিলিয়ে মেলাটি যেন একটি চলমান পাঠাগার। এই বহুমাত্রিকতাই কলকাতা বইমেলার প্রকৃত শক্তি।
তবে এই উৎসবের মধ্যেও কিছু আত্মসমালোচনার জায়গা থেকে যায়। বইয়ের দাম, নতুন লেখকের পর্যাপ্ত প্রচারের অভাব, আলোচনাসভায় কখনও কখনও একই মুখের পুনরাবৃত্তি এসব প্রশ্ন উঠছেই। কিন্তু এটাও সত্য, বইমেলা কেবল বিকিকিনির জায়গা নয়; এটি এক বৃহৎ সাংস্কৃতিক পরিসর, যেখানে মতের আদানপ্রদান, তর্ক, পাঠ–প্রতিক্রিয়া এবং নতুন চিন্তার জন্ম হয়। এই পরিসরকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পাঠক–বান্ধব করার দায়িত্ব প্রকাশক, আয়োজক এবং আমাদের মতো সাহিত্যপত্রিকারও।
একজন সম্পাদক হিসেবে আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই পাঠকের ভূমিকা। বইমেলা সফল হয় পাঠকের উপস্থিতিতে, কিন্তু তার ভবিষ্যৎ নির্ভর করে পাঠকের ধারাবাহিকতায়। মেলা শেষ হলে বই পড়া শুরু হয় এই বোধ যদি আমাদের মধ্যে জাগ্রত থাকে, তবেই এই উৎসবের সার্থকতা।
কলকাতা বইমেলা তাই কেবল একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের আত্মপরিচয়ের অংশ। এই মেলায় দাঁড়িয়ে আমরা আবার মনে করি—বই শুধু বিনোদন নয়, বই চিন্তার আশ্রয়, প্রশ্নের জন্মস্থান, এবং কখনও কখনও প্রতিবাদের ভাষা। ৪৯তম বইমেলার ভিড়, উন্মাদনা ও নীরব পাঠের মুহূর্তগুলি সেই সত্যকেই নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।
শুভেচ্ছান্তে,
ডাঃ অনির্বাণ কুণ্ডু
সম্পাদক
আক্ষরিক অনলাইন মাসিক পত্রিকা
আক্ষরিক অনলাইনের জন্য লেখা দিতে চান ?
আপনাকে স্বাগতম।
কবিতা সর্বাধিক ২৪ লাইন,
গল্গ, প্রবন্ধ, রম্য রচনা, মুক্ত গদ্য ২০০০ শব্দের মধ্যে হওয়া বাঞ্ছনীয়।
সংগৃহীত লেখা নির্বাচনের পর, পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশিত হবে।
লেখা দেবেন 8274838787 তে হোয়াটসঅ্যাপ করে অথবা আক্ষরিকের email এ সরাসরি type করে।
লেখার সঙ্গে লেখকের সম্পূর্ণ ঠিকানা এবং যোগাযোগের নম্বর এবং লেখার সাথে প্রকাশ করার জন্য লেখকের একটি ছবি অবশ্যই দেবেন।
নিচে দেওয়া হল আক্ষরিকের whatsapp নম্বর এবং email।
Get 10% off your first purchase when you sign up for our newsletter!
Copyright © 2026 আক্ষরিক - All Rights Reserved.
Powered by GoDaddy
We use cookies to analyze website traffic and optimize your website experience. By accepting our use of cookies, your data will be aggregated with all other user data.