আক্ষরিক
প্রথম পাতা
কবিতা - ১
কবিতা - ২
গল্প
বড় গল্প
রম্য রচনা/ মুক্ত গদ্য
ধারাবাহিক -উপন্যাস / গদ্য
প্রবন্ধ
Privacy Policy
আক্ষরিক
প্রথম পাতা
কবিতা - ১
কবিতা - ২
গল্প
বড় গল্প
রম্য রচনা/ মুক্ত গদ্য
ধারাবাহিক -উপন্যাস / গদ্য
প্রবন্ধ
Privacy Policy
More
  • প্রথম পাতা
  • কবিতা - ১
  • কবিতা - ২
  • গল্প
  • বড় গল্প
  • রম্য রচনা/ মুক্ত গদ্য
  • ধারাবাহিক -উপন্যাস / গদ্য
  • প্রবন্ধ
  • Privacy Policy
  • প্রথম পাতা
  • কবিতা - ১
  • কবিতা - ২
  • গল্প
  • বড় গল্প
  • রম্য রচনা/ মুক্ত গদ্য
  • ধারাবাহিক -উপন্যাস / গদ্য
  • প্রবন্ধ
  • Privacy Policy

কবিতার পাতা ১

প্রীতি সান্যাল

পচন

প্রীতি সান্যাল


আজ দেখলাম—

পৃথিবী তার মুখ খুলে রেখেছে

একটি পরিত্যক্ত জাদুঘরের ভেতর।

আকাশের পাঁজর থেকে

ঝরে পড়ছে মরচে ‌ধরা নীল,

সূর্য নিজের ছায়াকে

পকেটে ভরে পালিয়ে গেছে।

গাছেরা আজকাল

পাতার বদলে জন্ম দেয় আয়না,

সেখানে মানুষের মুখ নয়—

হেঁটে বেড়ায় মুখোশের বংশধর।.

নদী উজানে বয়ে নিয়ে যায়

ডুবে যাওয়া বিবেকের নৌকা,

মাছেরা আদালত বসায়

আর নীরবতা সাক্ষী দেয়।

একটি কাক

রাষ্ট্রের মানচিত্র ঠোঁটে নিয়ে

অদৃশ্য ভাষায় লিখে যায়—

"পচনও একদিন ফুল হয়ে ফুটবে,

যদি মানুষ তার আত্মাকে

আবার চিনতে শেখে।"

আমি তখন

একটি ভাঙা ঘড়ির ভিতর দাঁড়িয়ে

সময়ের কঙ্কাল স্পর্শ করি।

দেখি—

মৃত্যু নয়,

মানুষের ভেতরের আলোই

সবচেয়ে ধীরে ধীরে পচে যায়।

তারপর হঠাৎ—

একটি শিশুর হাসি

সব দুর্গন্ধ ভেদ করে

একটি সাদা প্রজাপতি হয়ে উড়ে যায়

পুলক রায়

ভাঙন

পুলক রায়


সাজানো বাগান উজাড় হলো ঝড়জলে

কাঁদছে বসে মালী, 

লেনদেনের হাটে অশ্রু কেনো

হে বনমালী ?

উথালপাথাল জীবনের অনন্ত শোক মুছে 

ভাঙনের তীরে কেউ পান করে সুরা ,

কেউ বা সুর ভাঁজে মিঞা-কি-মল্লারে

বানভাসি হলেও কৃষ্ণচূড়া। 

কী বুঝলে বনমালী

অর্ধেক ভরা না অর্ধেক খালি ?

তুষারকান্তি রায়

গৌরমল্লার 

তুষারকান্তি রায় 


বর্ষাকে ডেকে , 

বৃষ্টির উৎসবে উড়ে যাচ্ছে রাত , 

জল পেয়ে জেগে উঠছে বাতিল পান্ডুলিপি  ; 

খেলতে খেলতে নেচে বেড়াচ্ছে শব্দের পাহাড় , 

হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ছে ঘুমন্ত জানালা 

আঁকড়ে ধরছে পঙক্তি , 

তার আঙ্গুলের ছোঁয়ায় ফুটে উঠছে দেবদারু - পাইন - ফার 

বনদেবীর শঙ্খে লুকোনো নয়নতারা ;

যুযুধান পাতায় লতায় জড়িয়ে যাচ্ছে 

রাতপুরুষের মুখ , আর 

অস্হায়ী লিখে জড়িয়ে নিচ্ছে 

মেঘের অন্তরা

অমিতাভ সেন

জবাবদিহি

অমিতাভ সেন 


শয়তানের ঘুম নেই শরীরে

অতএব প্রস্তুত হ'তেও বাধা

নেই অনবসর, অনঘ দিনে

বাগবাগাত বারেবারে পেরিয়ে

প্রলোভন যতটা পারি এড়িয়ে

চোখ রেখে যদি ঈশ্বরের চোখে

কেবল একটিমাত্র প্রশ্ন করি,

'হরি, প্রসন্নতার উপায় বলে

আদৌ কি কিছু আছে এ মহাবিশ্বে?'


লাশের কৈফিয়ত কে দেবে আর

জবাবদিহি করবে তো ঈশ্বর?

সুপ্রভাত মেট্যা

ঈশ্বর নও তুমি, পিতা 

সুপ্রভাত মেট্যা 


মেয়ের বয়সী তোমার দৌড় ফিরে গেল।

নেমে এল মেঘ, রাস্তার উপরে। 

পিচ্ছিলতাভয়পায়েরগন্তব্যে পৌঁছানো অত কি সহজ?

চোখই তো আসল। অমন বেঁকে বসলে কি হয়?

তখনও শরীর সারেনি, তো কি হয়েছে?

তখনও ঢেউ খেলে যাওয়া বিকেলের স্রোতে সেভাবে আগুন লাগেনি, তো?

তুমি তো রয়েছ।


কিশোরী দুপুর, সেই বেলা অবধি, 

মানুষ নাকি তুমি কি, 

তুমিই তো ভাল খবরের মাথা হয়ে, আড়াল, 

সেসবের রহস্য অন্ধকার সরিয়ে সরিয়ে, 

শীর্ষ চূড়া সেই মন্দিরের ঘন্টা আলোয় পৌঁছে দেবে, তোমার শ্রীময়ী মেয়েকে। 

বলো দেবে তো?

তবেই না মানুষ, ঈশ্বর নও তুমি, পিতা।


তড়িৎ চক্রবর্তী

আমার নদী।

তড়িৎ চক্রবর্তী


নদীকে সেদিন জিজ্ঞেস করেছিলেম, 'তুমি এত গতি পাও কোথা থেকে!'

ও বলল, 'জীবনবোধ।'

জিজ্ঞেস করেছিলেম, 'খারাপ লাগেনা পচা মড়ার সাথে ভাসতে!'

নদী বলল 'আমি তো পচিনি। পচন দেখেছি। যারা পচেছে নিষ্পাপ থাকেনি,মাটি হয়ে মিশে গিয়েছে, পিছিয়ে পড়েছে। আমার গতি রোখার বৃথা চেষ্টা করেছে। আমার সঙ্গে অনেক মড়া,পচা ভেসেছে, তাতে আমার পবিত্রতা নষ্ট হয়েনি!'

জিজ্ঞেস করেছিলেম, 'নদী তোমার আদি কি! ধর্ম কি!'

উত্তরে বললে,'আদি ধৈয্য, মহাদেবের কাছে তাই তো শিখেছি।সেবাই আমার ধারণ আমার ধর্ম।'

'তুমি ক্লান্ত হও না কি কখনো!'

'পাহাড় থেকে নামার সময়ে, চঞ্চলতা থাকে। পথ চলতে গিয়ে এই শিক্ষাই পাই,ধৈর্য্য শ্রেষ্ঠ মন্ত্র।'

নদী তুমি বহে চলো আবহমানকাল।

তোমার পবিত্রতা একনিষ্ঠতা আমার শিক্ষা।

সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়

বেলুড় মঠে একটা বিকেল

সবর্ণা চট্টোপাধ্যায় 


নরম আলোর মতো গঙ্গা 

হাত ডুবিয়ে মাথায় বোলাই- 

কেঁপে ওঠে মা সারদার ছায়া মন্দির  

শান্ত ধীর হাওয়ার মতো মায়ার গন্ধ মায়ের–

রজনীগন্ধার আলোয় ফুটে ওঠে মুখ তার! 


নির্বাক বসে আরতি দেখি–

কেন ঠাকুর চোখ ভরে ওঠে? 

বুক ঠেলে পাখিগুলো উড়ে যেতে চায় তোমার দিকে? 


কচি সবুজ ঘাসে তখন সন্ধে নেমেছে হবে,

পাকা পাকা আম ঠুকরে খিদে মেটাচ্ছে কেউ 

মাটিতে ছড়ানো হলুদ শাঁস ফেটে বীজ বেরিয়ে এসেছে নতুন কালো রাস্তায়!


আমার অশান্তিগুলো ছুঁড়ে ফেলে ঘোরের 

ভেতর হেঁটে চলি বয়স্ক নড়বড়ে হাত ধরে–

মায়ের ঘরে মেয়েরা বড়ো শান্তিতে কাটায়, 

ঠাকুরের পায়ে মাথা রেখে নির্বিঘ্নে ঘুম আসে! 


সন্ধে নামলে ধ্যানে বসে অন্ধকার, 

‘নমি নমি বিবেকানন্দ স্বামী!’


সে সুর আকন্ঠে ভরে পাড়ি দিই আবার 

ক্লান্ত যানযটে, যেখানে ক্ষেত্র সদা প্রস্তুত 

থাকে যোদ্ধার জন্য! 

আমিও প্রস্তুত হই ভালোবাসার জন্য!

তাপস কুমার দে

জোছনা উত্থান ও আমার ভুমিকা 

তাপস কুমার দে 


ঘন কালো অন্ধকার কাহার সহিত তুলনায় আমি খুলে দেবো উপমা জ্বলজ্বল আলোর দুয়ার। জোছনা উত্থান হবে। জোনাকির বেশে নেমে আসবে স্বপ্নপরীরা, রাজকুমার আর তার সৈন্য সমন্ত। পৃথিবী অলৌকিক সৌন্দর্যের এক শৈল্পিক অন্তমিলের ব্যঞ্জনা হয়ে ধরা দেবে। বসবে কবিতা পাঠের আসর। পরী রানী অনুপ্রাসের সুত্র ধরে হরণ করবে রাজকুমারের প্রাণভোমরা। আমি ওঝার বেশে তালপুকুরে ডুব দিয়ে দিয়ে : বোতল বন্দি প্রাণভোমরা মুক্ত করবো। রাজকুমার সুস্থ হয়ে উঠবে আর আমরা জানতে পারবো পরী রানীর বেশে মুলত ভয়ংকর ডাইনি ছিল।  খুশি আর উচ্ছ্বাসে রাজা আমার সাথে রাজকুমারীর বিয়ের ঘোষণা দেবে। 


চোখের কোনায় জমবে শিশির শিশির আনন্দ। চকচকে গহনাহাসির হাসিতে হেসে উঠবে আমার ভেতরকার পৃথিবী। শুনতে পাবো কুহু কুহু কোকিলের তান, বউ কথা কউ, বউ কথা কউ  হরেক পাখির মিতালিও সুর। শুনতে পাবো ঝর্ণার নূপুর নিক্কণে ধ্রুপদী আলাপ। শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া রাঙা আহবান। কৃষ্ণ কৃষ্ণ নামের সুমধুর নামকীর্তন। এ-ই বুঝি দুবাহু উঁচু করে কেউ ডাকছে: এসো হে ! এসো হে !  এসো হে ! আমার বুক অতল শান্তি শীতল ঘরে। 


উদ্দেশ্যহীন উদাসীনতায় দুলে উঠবে হৃদয়। এক অনাবিল স্বস্তির পরশ বুলিয়ে যাবে পরা বাস্তবের মত জাদুকরী হাওয়া। যে হাওয়া নদীর বুক জুড়ে বইছে অনাদিকাল থেকে। যে হাওয়া নারীর বুকে বারবার আঘাত করে  জন্মান্তরের সুত্র ধরে। যে হাওয়া পুরাণের বুকে গচ্ছিত থাকে, যে হাওয়া শেকড়ে যুগিয়ে চলছে প্রাণ। যার অন্তরে বাস করে ব্রক্ষ্মান্ডের আয়না বিদ। যে কি-না প্রেম আর উপাক্ষাণের কল্পতরু।


তুলকালাম ভাবতে ভাবতে ভাবনার ভাব দেহ মেঘ খোলা চুলের জলজল ভেজা-ভেজা স্পর্শ কাহারও ঐশ্বর্যে গান ধরে, একাকীত্বের বিষম সুর। আমার ভেতর তাহার শ্বাসস্বস্তি থেকে থেকে উজ্জ্বল। ক্রমশ যেতে যেতে ছায়া স্বপ্নের পাতাগুলি ভয়ানক ঝড়ের মুখোমুখি! হঠাৎ স্বপ্ন ভাঙলে যেমন হয় তেমনই দেখি পৃথিবীর এক প্রান্ত খোলা জানালায় দাঁড়িয়ে রয়েছি আমি। নিস্তব্ধ কবরের বিষন্ন শীতলতা এখানে। উষ্ণতার পরম আদরে জড়িয়ে ধরেছে আমায়। আর বলছে, এসো শেকড়ের অতল তলে যেখানে ছায়া স্বপ্নের পাতাগুলি উর্বরতা দেয়, শক্তি দেয়। তোমার আত্মার জল দিয়ে  তাহাতে প্রাণের স্পন্দন যোগাও এ-ই সৃষ্টিকে অনন্ত কালের জন্য বাঁচিয়ে রাখো  যেমন তোমার পূর্বপুরুষেরা দিয়েছেন।


 হঠাৎ যেন আমার অস্তিত্ব টের পেলাম।  ভাবনাটা মস্তিষ্কে চেপে বসলো। আমি বুঝলাম অন্ধকার হলো সেই অনন্তলোক যেখান থেকে আমি এসেছি।

জয় ভট্টাচার্য

অসময়

জয় ভট্টাচার্য‍্য


এখন সময় অসময়

এসময় নক্ষত্রের জন্ম হয়।


যে নক্ষত্ররা এতদিন দিয়েছে আলো

বিষ্ফোরণে তাদের শরীর নিভে এলে-

হবে সব ধোঁয়া আর ধূলিময়।


উপত‍্যকা ঢেকে যাবে

আর শান্তি, সুখসময়,

আঁতুরের ধোঁয়াশায় যাবে ঢেকে 

কারণ এ প্রসব সময়,

এ সময় নক্ষত্রের জন্ম হয়।


চারিদিকে  সংঘর্ষ, বিষ্ফোরণ,

আন্তর্নাক্ষত্রিক হাওয়ায় বইবে স্ফুলিঙ্গ,

অভিকর্ষের টান যাবে বহুগুণ বেড়ে 

কারণ এ ধোঁয়া ধূলিময়  অসময়,

এর থেকেই নক্ষত্রের জন্ম হয়।


নিভন্ত নক্ষত্রের চিতা সারি সারি

জ্বলবে বিচিত্র যেন রঙ বাহারি

স্ফুলিঙ্গ জন্ম দেবে নক্ষত্রের সারি

এক থেকে বহু বহুগুণ রকমারি-

তারা জ্বেলে দেবে আলো ধূলিময়,

আরো ঘণ হয়ে দেবে 

নীল ছায়াপথ, 

তারার আকাশ দেবে এনে-

এ অসময়, 

এ সময় নক্ষত্রের-

ছায়াপথের জন্ম হয়।

অসীমা দে

বর্ষা ঋতু,

অসীমা দে,

           

ভেজা কাঠ,

উনুনে ভাতের হাঁড়ি!

ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে মায়ের যুদ্ধ জয়,

আমি বড় হয়ে উঠি,

মায়ের চোখের জল মুছিয়ে আধ সেদ্ধ  জীবনের গল্প লিখি!

বড় বড় অক্ষরে,

নাম দিয়েছি বর্ষা ঋতু,

সেই গল্প এখনো শোনাই 


আজো দেখি মায়ের চোখে জল,

তবে দুঃখের নয় আনন্দের,

তবে কি সত্যি সত্যি ই আমি বড় হয়ে গেছি!

আমি আর বর্ষা ঋতু মুখোমুখি খানিক অবসরে।

কল্লোল বন্দ্যোপাধ্যায়

স্নানজল 

কল্লোল বন্দ্যোপাধ্যায় 


অঝোর ধারায় জল...

নাতিদীর্ঘ চুল বেয়ে গড়িয়ে নামছে

কাঁধ, তারপর বুকের বিস্তার                                       

রেখাটি ওখানে নিশিরাত... বাঁকা চাঁদ,

বিদায় ক্যামেরা--

একটু দীর্ঘ নাহলে নির্জন বারান্দাটি জমেনা তেমন

ইচ্ছা করেই আমি নগ্ন শব্দটি সরিয়ে রেখেছি

পৃথিবীর গা বেয়ে উরুর রেখাটি ছুঁয়ে

ঈষৎ বার্গান্ডি রঙের যৌনকেশ না ভিজিয়ে ফের

পায়ের পাতাটি নিয়ে খেলা ক'রে জল

একটি কেউটের মতো পথে নেমে আসে 

চুপি চুপি বাঁশিটি বাজিল

পাগলের মতো স্নানজল মাড়িয়ে হাঁটছি

ছপছপ ... ছপ ছপ...

শিবালোক দাস

শোধ

শিবালোক দাস


মুমূর্ষু আয়তনে বার দুয়েক জ্বর--

রেখে যাও শোধ, বাতাসের পালকে

থামাই জন্মান্তরের ছায়া, গাছ ভেবে

যাকে দীর্ঘ মায়াঘর মনে করতে...


জন্মেছি, এটুকুই বুকের কাঁটায়

প্রলম্বিত সাধনা, মনে করতে করতে

সরে দাঁড়াল রোদ্দুর...

আমি বালিতে লিখে ফেলি তার গোপন

ভাবনা, ভেতর দিয়ে চলাচল করে

লজ্জিত নদী।


লেখা ছিল ব্যথাতুর যে ভাষা, উপমায়

সে চোখ বোজে, কেউ কি আছে নির্জনে ?

দেবজ্যোতি কর্মকার

১৬ই আগষ্ট ১৯৪৬

দেবজ্যোতি কর্মকার 


একটা মানচিত্র পকেটে নিয়ে 

ছেলেটা ঘুরে বেড়ালো একটা দেশ--

প্রকাণ্ড একটা শহর। 

বেশ কয়েকটি পাড়া, এ গলি থেকে সে গলি।

তালাবন্ধ পার্কের গেট--


সব ঘুরে ঘুরে 

শেষে ফিরে গেল নিজের গ্রামেই



সারা দিন ছেলেটা ঘুরে বেড়ালো

তখনও সে জানত না

রক্তাক্ত শহরে সেদিন কার্ফু!


দরজা এঁটে 

শহর ঘুমচ্ছে। 

তীব্র হাহাকারে মানুষ খুঁজছে, একটা বিশ্বস্ত মানুষ 


ছেলেটা সব দেখেশুনে 

একটা অবিশ্বাস্য কাঁধে হাত রেখে 

বাড়ি ফিরে লিখল -- আরও একটা 'দেশ'!

পড়তে থাকুন

পরবর্তী
কবিতার পাতা - ২গল্পরম্য রচনাধারাবাহিক উপন্যাস প্রবন্ধবিবিধ
  • প্রথম পাতা
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

আক্ষরিক

82748 38787

Copyright © 2026 আক্ষরিক - All Rights Reserved.

Powered by GoDaddy

This website uses cookies.

We use cookies to analyze website traffic and optimize your website experience. By accepting our use of cookies, your data will be aggregated with all other user data.

Accept